UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনার ১৩টি হলের মধ্যে খুঁড়িয়ে চলছে ৪টি

koushikkln
মে ৪, ২০২২ ২:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঊষারআলো ডেস্ক: করোনা সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে থাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে সবখানে। এরফলে দীর্ঘদিন পরে উৎসবমুখর পরিবেশে পালন হচ্ছে ঈদুল ফিতর। করোনার নানামুখী বাধার মুখে পর্যটন কেন্দ্র, বিনোদন কেন্দ্র, পার্কসহ সব বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ ছিল। বর্তমানে বাধানিষেধ শিথিল হয়েছে। ঈদে বাড়তি বিনোদনের জন্য খুলনার ১৩টি হলের মধ্যে চারটিতে সিনেমা চলছে। এগুলো হলো, শঙ্খ ডিজিটাল সিনেপ্লেক্স, সঙ্গীতা, লিবার্টি সিনেপ্লেক্স ও চিত্রালী ডিজিটাল সিনেমা হল। ঈদের দিন থেকে সঙ্গীতা হলে ‘বিদ্রোহী’, চিত্রালী ডিজিটাল সিনেমা হলে ‘গলুই’ এবং লিবার্টি সিনেপ্লেক্সে চলছে ‘শান’। এছাড়া শঙ্খ ডিজিটাল সিনেপ্লেক্সে চলছে পুরনো ছবি ‘বলো না কবুল’।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় ১৩টি সিনেমা হল ছিল। এরমধ্যে বর্তমানে চারটি চালু রয়েছে। আর বাকি নয়টি হল বন্ধ রয়েছে প্রায় দেড়যুগ ধরে। এগুলো হলো, দৌলতপুরের ঐহিত্যবাহী মিনাক্ষী, খুলনা নিউ মার্কেট সংলগ্ন ঝিনুক, খুলনার সোসাইটি, স্টার, পিকচার প্যালেস, ফুলবাড়ি গেটের জনতা, বৈকালি, গ্যারিসন ও ফুলতলার শাপলা সিনেমা হল। খুলনার খালিশপুর বিআরডিসি রোডস্থ লিবার্টি সিনে কমপ্লেক্সের ম্যানেজার মো. মহিউদ্দিন পান্না বলেন, ‘খুলনায় চলচ্চিত্র প্রেক্ষাগৃহের নির্দিষ্ট কোনও সমিতি বা সংগঠন নেই। এজন্য নয়টি সিনেমা হল আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। চলমান চার প্রেক্ষাগৃহের মালিকরা কর্মচারী রেখে এগুলো কোনরকম পরিচালনা করেন। আমরা কষ্ট করে হল চালু রাখলেও দর্শক তেমন আসে না। দর্শক সংকটের কারণে হলগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এখন কিন্তু ভালো সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে। তবু কেন হলে দর্শক আসে না, আমরা বুঝি সেটা না। সবার হাতে হাতে এখন মোবাইল। মানুষ দেশি-বিদেশি সিনেমা মোবাইলে দেখে।’
নগরীর বয়োবৃদ্ধ আকরাম হোসেন বলেন, ‘এখন সিনেমা সপরিবারে দেখার মতো অবস্থায় নেই বললেই চলে। তাই হলে তেমন দর্শক হয় না। একটা সময় ছিল যখন পরিবারের সবাই হলে গিয়ে একসাথে সিনেমা দেখতো। হলের পরিবেশও ছিল বেশ উন্নত। বর্তমানে বাবা-মেয়ে পর্যন্ত হলে গেলে উত্ত্যক্তের শিকার হয়। পরিবেশ দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হয়তো এজন্য দর্শক কমে যাওয়ায় হল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। অথচ আমরা একসময় হলে গিয়ে সিনেমা দেখার টিকিটও পেতাম না। কোথায় গেলো সেসব দর্শক, কোথায় হারিয়ে গেলো সেসব দিন। আমরা প্রত্যাশা করি, আগের সেদিন ফিরে আসুক।’

ঊআ-বিএস