UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাত-পা বাধা যুবককে উদ্ধার করলো মোংলার ছাত্রলীগ নেতা

koushikkln
এপ্রিল ২, ২০২২ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা : বাগেরহাটের মোংলায় হাত-পা বাঁধা শাহারুল ইসলাম (২৮) নামের এক যুবককে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৯ টার দিকে উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের  ব্রাম্মনমাঠ এলাকার আঃ হাকিম হাওলাদার এর বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করে। চাঁদপাই ইউপি ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আঃ ছাত্তার শেখ এর ছেলে মোঃ আলমগীর শেখ ওই যুবককে অচেতন আবস্থায় দেখতে পেয়ে ট্রিপল নাইন (৯৯৯) এ ফোন করে পুলিশকে জানান। পরে চিকিৎসার জন্য মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন মোংলা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাসেল হাওলাদার।
শাহারুল ইসলাম বাগেরহাট জেলার হরিণখানা  গ্রামের তানজিলুর রহমান এর ছেলে।
সাথে সাথেই মোংলা সহকারী পুলিশ সুপার আসিফ ইকবাল ও মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত-পা ও মুখ বাধা রশি ও কসটেপ উদ্ধার করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আঃ হাকিম হাওলাদার (খোকা) জানান, আমি এশার নামাজ পড়ে বাড়িতে ফেরার পথে কারো গোঙ্গানোর শব্দ শুনতে পাই। শব্দ শোনার পর আমি সামনে গিয়ে দেখতে পাই হাত পা এবং মুখে কসটেপ দিয়ে আটকানো একটি যুবক ঘেরের পাশে পড়ে আছে। এরপর আমি আশপাশের লোক ডাকদেই। তবে আমরা কেউ তাকে চিনিনা এবং সে এই এলাকারও না।
মোংলা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাসেল হাওলাদার বলেন, আমি এখান থেকে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে মানুষের ভীড় দেখি। মানুষের গোঙানির শব্দ শুনে তার কাছে গিয়ে রশি দিয়ে পিছনে হাত ও পা বাঁধা ও মুখে টেপ দেওয়া অবস্থায় এক যুবককে দেখতে পাই। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসি।
মোংলা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যাই। বাগেরহাটের বাসিন্দা শাহরুল ইসলাম নামে এক যুবক মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন আছেন। সুস্থ হওয়ার পর তার কাছ থেকে আসল রহস্য জানা যাবে।
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইব্রাহীম হোসেন জানান, স্থানিয় কিছু লোকজন শাহারুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসেন। তার শরীরে ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। আমরা তাকে এখানে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দিচ্ছি ও সারাক্ষণ পর্যবেক্ষণ করছি। তবে সে এখন আশঙ্কামুক্ত রয়েছ